নতুন বাইকের মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন ফি বিআরটিএ (BRTA) এক অঙ্কে নেয়। বেশিরভাগ ডিলার আর বাজারের সূত্র যে দুটো অঙ্ক বলে, তা হলো 125 cc (বা 5 kW) পর্যন্ত Tk 9,291 আর তার ওপরে Tk 11,764। এই টাকার ভেতরেই আছে রেজিস্ট্রেশন ফি ও ভ্যাট, পেছনের RFID নম্বরপ্লেট, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট আর প্রথম দুই বছরের রোড ট্যাক্স। তবে বিআরটিএর চার্টারে মোট ছয়টি অঙ্ক আছে, আর সেগুলো একটার ওপর আরেকটা পড়ে। কোনটা আপনার বাইকে খাটবে, নিচে খুলে বলছি।
সর্বশেষ আপডেট: 23 অক্টোবর 2026। সব ফি আমি নিয়েছি বিআরটিএর সিটিজেন চার্টার থেকে, যা সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে 6 মে 2026। আজ আবার চার্টারটা খুঁজে দেখেছি এবং অঙ্ক বদলায়নি, আর কাগজ ও ধাপের তালিকা মিলিয়েছি বিআরটিএর নিজের নিবন্ধন পাতার সঙ্গে।
বিআরটিএর চার্টারে মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন ফি কত?
বিআরটিএর সিটিজেন চার্টারে মোটরসাইকেলের জন্য ছয়টি ঘর আছে। প্রতিটি ঘর ঠিক হয় দুটো জিনিসে: ইঞ্জিনের cc (ইভিতে মোটরের kW) আর বাইকের আনলেডেন ওজন, মানে খালি বাইকের ওজন।
| ঘর | ইঞ্জিন বা মোটর | আনলেডেন ওজন | রেজিস্ট্রেশনের সময় মোট (Tk) | পরে প্রতি 2 বছরে রোড ট্যাক্স (Tk) |
|---|---|---|---|---|
| ক | 100 cc বা 5 kW পর্যন্ত | 90 kg পর্যন্ত | 9,313 | 1,150 |
| খ | 100 cc বা 5 kW পর্যন্ত | 90 kg-এর বেশি | 10,463 | 2,300 |
| গ | 100 cc বা 5 kW-এর বেশি | 90 kg পর্যন্ত | 10,923 | 1,150 |
| ঘ | 100 cc বা 5 kW-এর বেশি | 90 kg-এর বেশি | 12,073 | 2,300 |
| ঙ | 50–125 cc বা 5 kW পর্যন্ত | 90 kg পর্যন্ত | 9,291 | 1,150 |
| চ | 125 cc বা 5 kW-এর বেশি | 90 kg-এর বেশি | 11,764 | 2,300 |
চার্টার বলছে, রেজিস্ট্রেশনের পর "২ বছর পরপর" চারটি কিস্তিতে বাকি রোড ট্যাক্স দিতে হবে, মানে প্রথম দুই বছরের ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশনের টাকাতেই ধরা, আর পুরো চক্রটা 10 বছরের। ঙ ঘরের বাইকে 10 বছরে মোট খরচ দাঁড়ায় 9,291 + (4 × 1,150) = Tk 13,891।
ছয়টি ঘরের মধ্যে আপনার বাইক কোনটায় পড়বে?
সত্যি বলতে, এখানেই চার্টারটা গোলমেলে। ক–ঘ ঘরগুলো 100 cc-তে ভাগ করা, ঙ আর চ ভাগ করা 125 cc-তে। ধরুন একটা 110 cc বাইক, ওজন 90 kg-এর মধ্যে, তাহলে সেটা গ ঘরেও পড়ে (Tk 10,923), আবার ঙ ঘরেও পড়ে (Tk 9,291)। কোনটা খাটবে, চার্টার নিজে বলে না।
আবার উল্টো সমস্যাও আছে। 125 cc-র একটা বাইক যদি 90 kg-এর বেশি ভারী হয়, সেটা ঙ-তে পড়ে না (ওজন বেশি), চ-তেও পড়ে না (cc কম), তাই হিসাবমতো সেটা গিয়ে পড়ে ঘ ঘরে, যার অঙ্ক Tk 12,073।
আমার পরামর্শ তিনটি:
- বাজেট করুন ঙ/চ ধরে। বেশিরভাগ বাজারের সূত্র এই দুটো অঙ্কই বলে, আমাদের রেজিস্ট্রেশন খরচ ক্যালকুলেটরও এগুলো ধরেই হিসাব দেখায়।
- হাতে Tk 2,000–3,000 বাড়তি রাখুন। ক–ঘ ঘরের অঙ্ক খাটলে পার্থক্যটা এর মধ্যেই থাকে (সবচেয়ে বেশি ঘ বনাম ঙ, Tk 2,782)।
- চূড়ান্ত অঙ্ক দেখুন অ্যাসেসমেন্ট স্লিপে। বিআরটিএ অফিস কাগজ যাচাই করে যে স্লিপ দেয়, সেখানে আপনার বাইকের আসল ফি লেখা থাকে, তাই টাকা দেওয়ার আগে ডিলারের কাছে স্লিপটা চেয়ে নিন।
রেজিস্ট্রেশনের টাকার ভেতরে কী কী আছে?
চার্টার ঘরপ্রতি শুধু মোট অঙ্ক দেখায়। আলাদা আলাদা খাতগুলো চার্টারের অন্য সারিতে আর বাইকদোকানের বিশ্লেষণে পাওয়া যায়:
- রেজিস্ট্রেশন ফি: 100 cc বা 5 kW পর্যন্ত Tk 2,000, তার ওপরে Tk 3,000, সঙ্গে 15% ভ্যাট।
- পেছনের RFID রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বরপ্লেট: Tk 2,260।
- ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (DRC): Tk 555।
- প্রথম দুই বছরের রোড ট্যাক্স: 90 kg পর্যন্ত Tk 1,150, তার বেশি Tk 2,300, ভ্যাটসহ।
- কিস্তিতে কেনা বাইক (হায়ার পারচেজ): নথিতে ব্যাংকের নাম তুলতে আলাদা Tk 2,760।
একটা কথা খোলাখুলি বলি। আমি খাতগুলো যোগ করে দেখেছি, ক ঘরে (100 cc, 90 kg পর্যন্ত) যোগফল হয় প্রায় Tk 6,265, অথচ চার্টারের মোট Tk 9,313, মানে প্রায় Tk 3,000-এর হিসাব চার্টারে আলাদা করে দেখানো নেই। সড়ক পরিবহন আইন 2018-এর ধারা 16(2) বলছে, রেজিস্ট্রেশনের আবেদনের সঙ্গে আর্থিক সহায়তা তহবিলের চাঁদাও দিতে হয়, কিন্তু সেটা এই মোট অঙ্কের ভেতরে কত, বিআরটিএ প্রকাশ করেনি। BSP পোর্টালে একটা ফি ক্যালকুলেটর আছে, কিন্তু আমি দেখেছি সেটা চালাতে ক্যাপচা লাগে আর ভাঙা হিসাব বাইরে প্রকাশ করা নেই। তাই আমি আন্দাজে ভাগ করছি না। আপনি যা দেবেন, সেটা চার্টারের মোট অঙ্ক।
বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে কী কী কাগজ লাগে?
চার্টারের তালিকাটা লম্বা দেখায়, কিন্তু এর বেশিরভাগ কাগজ ডিলার বা আমদানিকারকের কাছে থাকে। ক্রেতা হিসেবে আপনার নিজের দায়িত্ব আসলে কয়েকটা।
আপনি নিজে দেবেন:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), অথবা পাসপোর্ট বা ইউটিলিটি বিলের সত্যায়িত কপি।
- আবেদনপত্রে সই। ফরমে মালিক আর ডিলার দুজনেরই সই লাগে। যৌথ মালিকানা হলে সবার সম্মতিসহ হলফনামা।
- ফি জমার রসিদ, অনলাইনে দিলে পেমেন্টের প্রমাণ।
- কিস্তিতে কিনলে ব্যাংক বা লিজিং প্রতিষ্ঠানের আবেদনপত্র।
- বিদেশি নাগরিক হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিট আর ভিসার কপি।
ডিলার বা আমদানিকারক দেবে: বিল অব এন্ট্রি, ইনভয়েস, বিল অব লেডিং আর এলসিএ কপি; সেল সার্টিফিকেট; বিক্রেতার ভ্যাট চালান। দেশে সংযোজিত (CKD) বাইক হলে প্যাকিং লিস্ট, ডেলিভারি চালান আর গেট পাসও।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে একটা সতর্কতা। 2022 সালে বিআরটিএ জানিয়েছিল, 15 সেপ্টেম্বর 2022 থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হবে না (ডেইলি স্টার বাংলা, 5 জুলাই 2022)। 2026-এর চার্টারের কাগজের তালিকায় লাইসেন্সের কথা নেই, তবে আমার মতে ঝুঁকি না নিয়ে লাইসেন্স বা লার্নারের কপি সঙ্গে রাখুন। লাইসেন্সের খরচ দেখুন লাইসেন্স ফি ক্যালকুলেটরে।
বিআরটিএর সাধারণ নিবন্ধন পাতায় টিন সার্টিফিকেট আর অগ্রিম আয়করের প্রমাণও চাওয়া আছে, তবে সেটা সব গাড়ির জন্য লেখা। আয়কর আইন 2023-এর ধারা 153(8) মোটরসাইকেলকে গাড়ির অগ্রিম আয়কর থেকে বাদ রেখেছে, আর মোটরসাইকেলের চার্টার তালিকায় টিনের কথা নেই।
রেজিস্ট্রেশন কীভাবে করবেন: ধাপে ধাপে
বিআরটিএর নিবন্ধন পাতা আর চার্টার মিলিয়ে ধাপগুলো এরকম:
- আবেদন: আপনি নিজে বা শোরুম বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করবেন, কাগজসহ।
- যাচাই ও অ্যাসেসমেন্ট স্লিপ: সার্কেল অফিস কাগজ যাচাই করে ফি জমার স্লিপ দেয়।
- ফি জমা: BSP অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে (কার্ড, bKash, Rocket, Nagad) অথবা তালিকাভুক্ত ব্যাংকে। অনলাইনে দিলে গেটওয়ে চার্জ আলাদা।
- বাইক দেখানো: বাইকটা সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে পরিদর্শনের জন্য নিয়ে যেতে হয়।
- অনুমোদন: সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) তথ্য মিলিয়ে অনুমোদন দেন, আর এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আর ট্যাক্স টোকেন প্রিন্ট করে দেওয়া হয়।
- বায়োমেট্রিক্স: DRC-র জন্য ছবি, সই আর আঙুলের ছাপ দিতে অফিসে যেতে হয়, আর কবে যাবেন সেটা এসএমএসে জানানো হয়।
- DRC আর নম্বরপ্লেট: DRC তৈরি হলে আবার এসএমএস আসে। পেছনের RFID প্লেট লাগানো হয় বিআরটিএ থেকে।
নম্বর হাতে পেলেই সামনের প্লেটটা বানিয়ে নিন। দেরি করবেন না। 15 নভেম্বর 2026 থেকে সব মোটরসাইকেলে সামনের প্লেটও বাধ্যতামূলক, মাপ আর নিয়ম আছে সামনের নাম্বার প্লেটের গাইডে।
ডিলার দিয়ে করাবেন, নাকি নিজে?
চার্টার দুটো পথই খোলা রেখেছে: "গ্রাহক বা শোরুম" পোর্টালে আবেদন করতে পারে। আমদানির কাগজগুলো যেহেতু ডিলারের কাছে, তাই বাস্তবে নতুন বাইকের আবেদনটা সাধারণত শোরুমই শুরু করে।
যদি ডিলার করে, তাহলে লিখিত রসিদ নিন যেখানে বিআরটিএ ফি আর ডিলারের সার্ভিস চার্জ আলাদা লেখা। বিআরটিএর অংশটা চার্টারের অঙ্কের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। আমি হলে ডেলিভারির দিনই রসিদের একটা ছবি তুলে রাখতাম। যদি নিজে করেন, BSP-তে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে ফি দিন, আর ডিলারের কাছ থেকে আমদানির কাগজের সেট বুঝে নিন। যেভাবেই হোক, বায়োমেট্রিক্স দিতে আপনাকে নিজেকেই অফিসে যেতে হবে, এটা কেউ আপনার হয়ে দিতে পারে না।
রেজিস্ট্রেশন হতে কত দিন লাগে?
চার্টারে এই সেবার সময়সীমা লেখা "০১ কার্যদিবস"। আমার বোঝায় এটা কাগজ ঠিক থাকলে আবেদন অনুমোদনের সময়, পুরো প্রক্রিয়ার না, কারণ বায়োমেট্রিক্সের তারিখ, DRC ছাপা আর RFID প্লেট লাগানো আলাদা ধাপ, প্রতিটার জন্য এসএমএসের অপেক্ষা থাকে। এগুলোতে মোট কত দিন লাগে, বিআরটিএ কোনো সময়সীমা প্রকাশ করেনি। আমি চার্টার আর নিবন্ধন পাতা দুটোতেই খুঁজে দেখেছি, কিন্তু কোথাও দিনের হিসাব নেই, তাই আমিও দিন গুনে দিচ্ছি না।
যতদিন নম্বর না আসে, ততদিন রাস্তায় বাইক চালানো ঝুঁকির। সড়ক পরিবহন আইন 2018-এর ধারা 72 অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মোটরযান চালালে অনধিক 6 মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক Tk 50,000 অর্থদণ্ড, বা দুটোই হতে পারে।
ইলেকট্রিক বাইক হলে কোন ঘর?
চার্টারে ইভির জন্য আলাদা টেবিল নেই। পেট্রল বাইকের cc-র জায়গায় ইভিতে মোটরের kW ধরা হয়, প্রতিটি ঘরে লেখা "সিসি বা কিলোওয়াট"।
- 5 kW পর্যন্ত মোটর, 90 kg পর্যন্ত: ঙ ঘর, Tk 9,291 (ক ঘর ধরলে Tk 9,313)।
- 5 kW-এর বেশি মোটর, 90 kg-এর বেশি: চ ঘর, Tk 11,764 (ঘ ঘর ধরলে Tk 12,073)।
- 5 kW-এর বেশি কিন্তু হালকা, বা 5 kW-এর কম কিন্তু ভারী: পেট্রল বাইকের মতোই ঘর মেলে না, স্লিপ দেখে নিশ্চিত হন।
ব্যাটারির ওজন অনেক ইভিকে 90 kg-এর ওপরে নিয়ে যায়, তাতে রোড ট্যাক্স Tk 2,300-এর ঘরে চলে যেতে পারে। কম গতির ছোট ইভির রেজিস্ট্রেশন লাগে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর থাকবে আমাদের ইলেকট্রিক বাইক গাইডে। মডেল আর মোটরের kW দেখুন ইলেকট্রিক বাইকের তালিকায়।
এক নজরে: কোন বাইকে কত টাকা ধরবেন
| আপনার বাইক | যে অঙ্ক ধরে বাজেট করবেন | যদি স্লিপে অন্য অঙ্ক আসে |
|---|---|---|
| 100–125 cc, 90 kg পর্যন্ত | Tk 9,291 (ঙ) | Tk 10,923 (গ) |
| 100–125 cc, 90 kg-এর বেশি | Tk 9,291 (বাজারের হিসাব) | Tk 12,073 (ঘ) |
| 125 cc-এর বেশি, 90 kg-এর বেশি | Tk 11,764 (চ) | Tk 12,073 (ঘ) |
| 100 cc পর্যন্ত, 90 kg পর্যন্ত | Tk 9,291 (ঙ) | Tk 9,313 (ক) |
| ইভি, 5 kW পর্যন্ত | Tk 9,291 (ঙ) | Tk 9,313 বা Tk 10,463 (ক/খ) |
| কিস্তিতে কেনা যেকোনো বাইক | ওপরের অঙ্ক + Tk 2,760 | একই |
রেজিস্ট্রেশনের পরে প্রতি দুই বছরে রোড ট্যাক্স দিতে হবে। কবে, কত টাকা আর দেরি হলে কী হয়, সেটা আলাদা করে লিখেছি ট্যাক্স টোকেন নবায়নের গাইডে। বাইক কিস্তিতে কিনলে মাসিক কিস্তি হিসাব করুন EMI ক্যালকুলেটরে।
কখন বিআরটিএ সার্কেল অফিসে সরাসরি যাবেন?
ডিলারের রসিদের বিআরটিএ অংশ চার্টারের কোনো ঘরের সঙ্গে না মিললে, এসএমএস আসার কথা থাকলেও কয়েক সপ্তাহ চুপচাপ থাকলে, কিংবা DRC-তে নাম, চেসিস বা ইঞ্জিন নম্বরে ভুল থাকলে যে সার্কেল অফিসে বাইক নিবন্ধিত হচ্ছে, সেখানকার সহকারী পরিচালকের (ইঞ্জিনিয়ারিং) দপ্তরে যান। বিআরটিএর হটলাইন 1512। আমদানির কাগজে গরমিল থাকলে সেটা ডিলার আর আমদানিকারকের দায়, তাদের লিখিতভাবে জানান।
FAQ: মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন নিয়ে প্রশ্ন
বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে কত টাকা লাগে?
বিআরটিএর চার্টার (6 মে 2026) অনুযায়ী 125 cc বা 5 kW পর্যন্ত, 90 kg পর্যন্ত বাইকে Tk 9,291, আর 125 cc-এর বেশি, 90 kg-এর বেশি বাইকে Tk 11,764। এর মধ্যে প্লেট, DRC আর প্রথম দুই বছরের রোড ট্যাক্স ধরা। চার্টারের অন্য ঘরগুলো খাটলে অঙ্ক Tk 9,313 থেকে Tk 12,073 পর্যন্ত হতে পারে।
Bike registration korte ki ki kagoj lage?
আপনার দিক থেকে লাগে NID (বা পাসপোর্ট বা ইউটিলিটি বিলের সত্যায়িত কপি), সই করা আবেদনপত্র আর ফি জমার রসিদ, আর কিস্তিতে কিনলে ব্যাংকের আবেদনপত্রও। বিল অব এন্ট্রি, ইনভয়েস, সেল সার্টিফিকেট আর ভ্যাট চালানের মতো আমদানির কাগজ দেয় ডিলার। সতর্কতা হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপিও সঙ্গে রাখুন।
রেজিস্ট্রেশন ফির মধ্যে কি নম্বরপ্লেট আর রোড ট্যাক্স ধরা আছে?
হ্যাঁ, ধরা আছে। চার্টারের মোট অঙ্কে পেছনের RFID প্লেট (Tk 2,260), ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (Tk 555) আর প্রথম দুই বছরের রোড ট্যাক্স (Tk 1,150 বা Tk 2,300) আছে। সামনের নাম্বার প্লেট এর মধ্যে নেই, সেটা মালিককে নিজে বানাতে হয়।
Electric bike er registration fee koto?
ইভিতে cc-র বদলে মোটরের kW ধরা হয়, তাই 5 kW পর্যন্ত মোটর আর 90 kg পর্যন্ত ওজনের ইভি ঙ ঘরে পড়ে, Tk 9,291। 5 kW-এর বেশি মোটর আর 90 kg-এর বেশি ওজন হলে চ ঘর, Tk 11,764, আর ব্যাটারির কারণে ওজন 90 kg ছাড়ালে রোড ট্যাক্সও বেশি পড়ে।
রেজিস্ট্রেশন কি নিজে অনলাইনে করা যায়?
আবেদন আর ফি জমা অনলাইনে, bsp.brta.gov.bd পোর্টালে, গ্রাহক নিজে বা শোরুম করতে পারে। তবে বাইকটা পরিদর্শনের জন্য সার্কেল অফিসে নিতে হয়, আর DRC-র বায়োমেট্রিক্স দিতে মালিককে নিজে যেতে হয়। তাই পুরোটা ঘরে বসে হয় না।